বর্তমানে ফাইবারে কোন কাজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি জেনে নিন

বর্তমান যুগে প্রায় সকল কাজই  অনলাইনে এর মাধ্যমে করা হয়। আমরা কম বেশি ফাইবার শব্দটি কথাটির সাথে সবাই পরিচিত বলে মনে করা যায়। ফাইবার একটি অনেক বড় একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে বিভিন্ন ধরনের কাজ করা যায়। তাই আমরা আজকে যারা ফাইবারে কোন দক্ষতার সবচেয়ে চাহিদা বেশি সে সম্পর্কে এই পোস্টটিতে আলোচনা করা হবে। তাহলে চলুন আর দেরি না করে বর্তমানে ফাইবারে কোন দক্ষতার চাহিদা সবচেয়ে বেশি দেখা যাক।

ফাইবারে দক্ষতার চাহিদা

পোস্ট সূচিপত্রঃ এক নজরে দেখে নিন 

ফাইবার কি 

ফাইবার হল বর্তমানে অনলাইনে একটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস। এখানে অনেক ব্যক্তি খুব সহজেই কাজ করে থাকে। সাধারণত মার্কেটপ্লেস বলতে আমরা যা বুঝে থাকি তাহল পন্য ক্রয়-বিক্রয় করার স্থান। সাধারণত আমরা অনেক কিছু ক্রয়-বিক্রয় করে থাকি কিন্তু ফাইবার হল অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি আপনার সার্ভিস ক্রয় বিক্রয় করতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখব? ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কত টাকা লাগে

যেমন ধরেন আপনি একজন মানুষ আপনার এখন অসুখ হয়েছে বা জ্বর হয়েছে সুতরাং আপনি সেই অসুখটি সারানোর জন্য ডাক্তারের কাছে গেলেন এবং ডাক্তার আপনাকে এই সেবা প্রদান করল আর এই সেবা প্রদান করাটাই হলো সার্ভিস এবং ডাক্তার আপনাকে যে সেবা প্রদান করলো বাস সার্ভিস প্রদান করলো এবং তার বিনিময়ে আপনি তাকে যে অর্থ বা টাকা প্রদান করলেন এটা সেটারই একটা উদাহরণ।

সুতরাং ফাইবার ও ঠিক তেমন একটা মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি অনায়াসে ডাক্তারের মত যদি কোন বিষয় দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে আপনি সেই দক্ষতা নিয়ে ফাইবারে কাজ করে বা অন্যকে সার্ভিস প্রদান করে তার বিনিময় কিছু অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

ফাইবারে কোন কাজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি

আপনার অনেকেই ইতোমধ্যে জেনেছেন যে ফাইবার কি। এবং আপনার অনেকে গুগলে সার্চ দিয়ে জানতে চেয়েছেন ফাইবারে কোন কাজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি এবং আমাদের ওয়েবসাইটি যারা প্রবেশ করেছে তারা আজকে সঠিক উত্তরটি নিয়ে যান।

সাধারণত বলা যায় যে ফাইবার হলো একটি বিশেষ অনলাইন প্লাটফর্ম যেখানে আপনার নিজস্ব কাজের দক্ষতা অর্জন করে আপনি সেখানে অন্য ব্যক্তিকে সার্ভিস প্রদান করে আপনি অতি সহজেই সেই ব্যক্তির কাছ থেকে কিছু চার্জ নিবেন বা তার কাছ থেকে কিছু অর্থ উপার্জন করবেন।

আরো পড়ুনঃ অনলাইনে হালাল ইনকামের উপায়

আবার প্রাইমারি যে কাজগুলো চাহিদা সবচেয়ে বেশি সেটা হল ডিজিটাল মার্কেটিং বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এর মধ্যে অনেকগুলো ধাপ রয়েছে আপনি সেগুলোর মধ্যে যদি কোন একটি ভাল হয় শিখতে পারেন এবং সে দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আপনি ফাইবারে কাজ করতে পারেন এবং সেখান থেকে আপনার আপনি অনেক টাকা পয়সা উপার্জন করতে পারবেন।

বর্তমানে বিশেষ করে যেসব ফ্রিল্যান্সাররা ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শুরু করছেন তারা ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোর্স করে ফাইবারে কাজ করে অতি দ্রুতই অনেক টাকা পয়সা ইনকাম করছেন। তবে এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভেতর যেসব কাজও রয়েছে তার মধ্যে একটি হলো এসইও আপনি যদি বেসিক এসইও কাজ শিখে থাকেন তাহলেও আপনি অতি দ্রুতই ফাইবার থেকে টাকা পয়সা ইনকাম করতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ গেম খেলে টাকা আয় করুন পেমেন্ট বিকাশে বুঝে নিন 2023

তাছাড়া ডিজিটাল মার্কেটিং এর শুধু এসিওই নয় আরো বেশ কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো করে আপনি অতি দ্রুতই প্রাইভেট থেকে টাকা পয়সা ইনকাম করতে পারবেন সেই কাজগুলো হলো সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং,কন্টেন্ট মার্কেটিং, সিপিএ মার্কেটিং ইত্যাদি যে সকল ব্যক্তি বিগিনার তাদের জন্য বেশ ভালো হবে নিজের মার্কেটিং এর কাজগুলো শিখিয়ে ফাইবারের মাধ্যমে কাজ করা এটি হলো আপনার জন্য একটি ইমপ্রুভমেন্ট হিসেবে কাজ করবে। 

কেননা আপনি একজন বিগিনার এবং আপনি অতি দ্রুতই অনলাইন থেকে টাকা পয়সা ইনকাম করতে চাচ্ছেন সেহেতু আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ শিখে ফাইবারের মাধ্যমে কাজ করে বা আপনার সার্ভিস প্রদান করে আপনি অনেক টাকা পয়সা উপার্জন করতে পারেন। তাছাড়া বলা যায় শুধুমাত্র বিগিনাররাই নয় বরং বর্তমানে বহুল প্রচলিত বড় বড় ফ্রিল্যান্সাররা এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ শিখে ফাইবার মাধ্যমে কাজ করে চলেছেন।

ফাইবারের কাজ কি-ফাইবারে কি কি কাজ পাওয়া যায়

ফাইবার যেহেতু অনলাইন প্লাটফর্ম এবং আপনার এখানে যারা কাজ করতে এসেছেন তারা অনেকেই বিভিন্ন অবস্থায় আছেন আপনারা হয়তো জানেন না যে ফাইবার টা আসলে কি ফাইবার হল একটি অনলাইন প্লাটফর্ম যেখানে আপনি কোন একটি কাজ জেনে থাকলে সেই কাজ আপনি অন্যকে করে দিয়ে বা সার্ভিস প্রদান করে আপনি তার বিনিময়ে কিছু টাকা-পয়সা বা অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

আপনার অনেকেই অজানা রয়ে গেছে যে ফাইবারে কি কি কাজ পাওয়া যায় তাহলে চলুন আপনাদেরকে আর দেরি না করে ফাইবারে কি কি কাজ পাওয়া যায় তা জানিয়ে দেওয়া যাক।

ফাইবারে একটু অনলাইন প্লাটফর্ম হয় এখানে যে সকল কাজগুলো রয়েছে তা হল।

  • ভয়েস ওভার
  • ডিজিটাল মার্কেটিং 
  • কনটেন্ট ক্রিয়েটরর বা ব্লগ পোস্ট
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন 
  • লোগো ডিজাইন
  • ভিডিও ও এনিমেশন

ইত্যাদি এসব কাজগুলো ফাইবার থেকে পাওয়া যায় আপনারা যদি এই সকল কাজগুলোতে আপনি যদি ভালোভাবে এক্সপার্ট বা দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে আপনারা টাকা পয়সা উপার্জন করতে পারবেন।

ফাইবারে অ্যাকাউন্ট করার নিয়ম

ফাইবারে জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে ফাইবার একটি অন্যতম আর তাই প্রতিদিনই বাংলাদেশ থেকে অনেক অনেক তরুণরা মার্কেটপ্লেসটিতে একাউন্ট খুলছেন তবে আপনি কি জানেন যে আপনি ফাইবারের সঠিক উপায়ে একাউন্টটি করছেন কিনা যদি আপনি জেনে না থাকেন তাহলে আজকে এই পোষ্টের মধ্যে আপনি জেনে নিন।

ফাইবার মার্কেটপ্লেসটিতে প্রথমে (Fiverr.com) লিখে গুগলে সার্চ করে সেখানে প্রবেশ করতে হবে তারপরে আপনাকে ডান দিকের উপরে থাকা (Become a seller)বাটনে ক্লিক করে দিতে হবে তারপর সেখানে ইমেল ঠিকানা ইউনিক ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে জয়েন বাটনে ক্লিক করতে হবে তারপর ফাইবারে পাঠানো ইমেল টি যাচাই করতে আপনাকে একটি ইমেইল পাঠাবে। 

আরো পড়ুনঃ বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করুন ঘরে বসে বিস্তারিত জেনে নিন

এবার আপনার পাঠানো ইমেইল বার্তায় ক্লিক করলে আপনার দেওয়া ইমেইলটি যাচাই করুন হয়ে যাবে এবার ফাইবার প্রোফাইলের অ্যাকাউন্ট সেকশন এর মধ্যে প্রবেশ করে আপনার নাম যেটি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রে রয়েছে সেটি এবং টেলিফোন নম্বর দেওয়ার পাশাপাশি আপনাকে বেশ কিছু প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে সঠিক উত্তর প্রদান করতে হবে টেলিফোন নম্বর যাচাই করুন হয়ে গেলে আপনাকে স্টার্ট সেলিং বাটনে ক্লিক করে নিচে সংবলিত তথ্যাবলী গুলো পূরণ করতে হবে।

পার্সোনাল ইনফরমেশনঃ ফাইবারে একটি অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য আপনাকে পার্সোনাল ইনফো লেখা আছে যেখানে সেখানে প্রবেশ করে নিজের নাম আপনার প্রোফাইল ছবি আপনার কাজের বিস্তারিত বর্ণনা এবং আপনার ভাষা ও লেভেল নির্বাচন করে কন্টিনিউ অপশন নির্বাচন করতে হবে এবং ভাষা নির্বাচনের সময় আপনাকে অবশ্যই ইংরেজি ভাষা সিলেক্ট করতে হবে তাছাড়া আপনি ইংরেজি পাশাপাশি বাংলা সহ বিভিন্ন ভাষাও নির্বাচন করতে পারেন।

ছবিঃ আপনি বিভিন্ন পাসপোর্ট আকারের বা সাধারণ হুমকি যেমন বাঁকাভাবে বা বিভিন্ন অগোছালোভাবে আপনি ছবি দেওয়ার চাইতে ফ্রন্ট ফেসিং বা সামনে থেকে পুরোটাই যেন ভালোভাবে দেখা যায় এমন ছবি দিতে পারেন এক্ষেত্রে আপনি ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে হালকা সুন্দরভাবে হাসিমুখে ছবি দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

 আপনার জীবনীঃ আপনার ফাইবারে অ্যাকাউন্ট খোলার পাশাপাশি আপনার জীবনী দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এতে করে ক্লায়েন্টরা আপনার প্রোফাইলে প্রবেশ করবে আপনার সম্পর্কে কিছু জানতে আর তাই আপনার পার্সোনাল লাইফ, স্কিলস এন্ড ওয়ার্ক সম্পর্কে সব তথ্য ভালো হবে লিখতে হবে। এবং তাছাড়া আপনার কাজের এক্সপেরিয়েন্স ও স্কিলস তুলে ধরার পাশাপাশি ক্লায়েন্টরা কেন আপনাকে কাজ দিবে এ সম্পর্কিত কিছু তথ্যাবলী আপনি দিয়ে দিতে পারেন। 

তাছাড়া আপনার করা কাজের উল্লেখযোগ্য তথ্যগুলো সংযুক্ত করতে পারেন আপনার জীবনী লেখার পাশাপাশি আপনাকে পরবর্তী ধাপে প্রফেশনাল ইনফো লেখা আছে যেখানে সেখানে ক্লিক করে আপনার পেশা নির্বাচন করতে হবে এবং আপনি শি পেশায় কত বছর ধরে নিযুক্ত আছেন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আপনাকে কয়েকটি দক্ষতা উল্লেখ করতে হবে এবং আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ হয়েছেন ও আপনার দক্ষতার লেভেল সম্পর্কে জানতে হবে।

ফাইবারে কাজ করার নিয়ম 

বিশেষ করে যে কোন কাজ করার জন্যই কিছু না কিছু নিয়ম রয়েছে সুতরাং আমরা সেই নিয়মগুলো সম্পর্কে অনেকেই অবগত নই তাই আজকে আপনাদেরকে ফাইবারে কাজ করতে হলে বা অনলাইনে মার্কেটপ্লেস এ কাজ করতে হলে যে এই নিয়মগুলো রয়েছে বা ফাইবারে কাজ করার যে নিয়ম রয়েছে তা নিচে বিস্তারিত বলা হলোঃ 

একাউন্ট তৈরি করাঃ ফাইবারের নিয়ম নীতির মধ্যে এটি একটি হলো যে একাউন্ট তৈরি করা আপনি যদি ফাইবারে কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে আপনার ভোটার আইডি কার্ড বা পাসপোর্ট এর মাধ্যমে একটি একাউন্ট খুলতে হবে মূলত ফাইবারে আপনার সমস্ত তথ্য দিয়ে একাউন্ট ভেরিফাই করতে হবে কারণ এই সমস্ত কিছু দিয়ে আপনি অ্যাকাউন্ট না করলে আপনার একাউন্টটি ভেরিফাই হবে না তবে হ্যাঁ মনে রাখবেন আপনি একটি একাউন্ট ব্যবহার করতে পারবেন তবে আপনি যদি একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে একাউন্ট তৈরি করতে হবে।

আরো পড়ুনঃ কিভাবে ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে আয় করা যায়

আপনার পার্সোনাল কোন ইনফরমেশন বায়ারকে না দেওয়াঃ আপনি যদি আপনার ক্লায়েন্টের সঙ্গে কথোপকথন করার পর যদি আপনার ক্লায়েন্ট আপনার ব্যবহার মার্জিত দেখে বা আপনার কাজের ধরন তার কাছে ভালো লেগে থাকে তাহলে সে যদি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাই তাহলে কোন মতে আপনার ফোন নাম্বার ইমেইল অথবা অন্যান্য বিষয়ে বলি তাকে শেয়ার করবেন না। 

কেননা ফাইবার আপনাকে এই মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে আপনার কাছ থেকে টাকা পয়সা ইনকাম করছে কিন্তু আপনি যদি সেই সমস্ত বিষয়গুলি উপেক্ষা করে একজন ক্লায়েন্টকে আপনার সমস্ত তথ্য শেয়ার করেন এবং ফাইবার যদি সেটি বুঝতে পারে তাহলে আপনাকে একাউন্ট থেকে বের করে দিবে। তাই আপনার সমস্ত তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।

গিগ ডিলিট না করাঃ কাজ পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে আপনাকে গিগ পাবলিশ করতে হবে তার মাধ্যমে আপনি ক্লায়েন্ট পাবেন তবে অনেকেই একটি ভুল কাজ করে থাকে যে তারা যেসব গিগ পাবলিশ করে সেসব পরবর্তীতে আবার ডিলিট করে দেয় কিন্তু একজন বায়ার সে কিন্তু আপনাকে আপনার গিগ দেখেই কাজ দিবে। 

একটি গিগ যখন পাবলিশ করবেন তখন সেটি ভালোভাবে এসিও ফ্রেন্ডলি করে বা এসইও করে আপনাকে সেটি পাবলিশ করতে হবে একটি গিগ আপনি যদি রেংক না করাতে পারেন তাহলে কিন্তু বায়ার আপনাকে ভালো পরিমাণে কাজ দেবে না তাই আপনাকে গিগ রেংক করানোর চেষ্টা করতে হবে।

আরো পড়ুনঃ এক বিটকয়েন সমান কত টাকা

ক্লায়েন্টের সাথে সদাচরণ করাঃ আপনি ফাইবারে যখন কাজ করবেন তখন আপনার বাইরের সঙ্গে কখন আচরণ করবেন না কেননা এতে আপনার ভাইয়ের সাথে সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে তাছাড়া আপনার বায়ার যদি আপনাকে কাজ বিষয়ে হোক বা অন্যান্য কোন বিষয় নিয়ে যদি কোন কথা বলে থাকে।

তাহলে তাকে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করুন তাছাড়া আপনি বায়ানকে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করবেন না এতে বায়ার আপনার হাতছাড়া হতে পারে তাছাড়া একজন বায়ার যদি ফাইবারের কাছে আপনার নামে রিপোর্ট দেয় তাহলে আপনি আপনার অ্যাকাউন্টটি হারাতে পারেন তাই কখনোই তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করবেন না।

ফাইবারের কন্ট্রাক্ট সাপোর্টে মেসেজ দেওয়াঃ বিশেষ করে যে সকল ব্যক্তিরা ফাইবারে কাজ করছে তারা অনেকেই নতুন তারা বর্তমানে যে সকল ভুলগুলো করছে তা হল কোন ছোটখাটো সমস্যা হলেও তারা ফাইবারের কন্টাক সাপোর্টে মেসেজ দিচ্ছে কিন্তু এই আচরণটি মূলত একদমই ঠিক নয় বিশেষ করে বলা যায় যে কন্টাক সাপোর্টে হলো একজন ব্যক্তির সমস্যার সমাধানের জন্য। 

কিন্তু ফাইবার যে কাজটি করে থাকে তা হল আপনার কোন সমস্যা নিয়ে যদি ফাইবার সাপোর্ট সেন্টারে কথা বলে থাকেন এবং আপনার ঐ প্রোফাইলে কোনরকম বিন্দু পরিমান সমস্যা থাকলে দেখা যেতে পারে আপনার প্রোফাইলটি চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে তাই কখনোই বড় ধরনের সমস্যা না হলে ফাইবারে কন্টাক্ট সাপোর্ট সেন্টারে যোগাযোগ করবেন না বিশেষ করে আপনার যদি অতীব জরুরী প্রয়োজন হয় তাহলে আপনি বাংলাদেশের যে সমস্ত ফাইবার কমিউনিটি সেন্টার রয়েছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

একাধিক আইপি ব্যবহার না করাঃ আপনারা কখনোই আপনার ফাইবারের আইডি একাধিক আইডি থেকে লগইন করবেন না এতে আপনি নানারকম সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন আপনি মূলত চেষ্টা করবেন যে এক আইডি থেকে ফেভারে লগইন করার এতে আপনার ফাইবার আইডিটি সেভ থাকবে যদি পারেন সম্ভবত আপনি রিয়েল আইপি কিনে ব্যবহার করুন ঈদে আপনি ঝামেলা মুক্ত থাকবেন তাছাড়া ফাইবার মার্কেটপ্লেসে কাজ করে যেতে পারবেন অন্তত আইপি সমস্যার বিষয়টি আপনার সমাধান হয়ে থাকবে।

ক্লায়েন্টের মেসেজ পেলে দ্রুত রিপ্লাই দেওয়াঃ একজন ক্লায়েন্ট যখন আপনাকে মেসেজ করবে তখন আপনি চেষ্টা করবেন যে আপনার সেই ক্লায়েন্টের মেসেজটি দ্রুত রিপ্লাই দেওয়া কেননা আপনি যখন একজনকে দেরি করে মেসেজের রিপ্লাই দিবেন তখন সে হয়তো বা ভাববে যে সে যাকে কাজ দিচ্ছে সে একজন অলস ব্যক্তি এতে করে আপনার দুটি সমস্যা হয়ে থাকে। 

একটি হল আপনার ফাইবার রেসপন্স কমে যাবে এবং ক্লায়েন্টের কাছে আপনার কাজ পাওয়ার আশা অনেকটাই কমে যাবে। আপনার বায়ার আপনাকে কাজ দেওয়া থেকে বিরত হয়ে যায় বা আপনাকে কাজ দেওয়ার কথা হারিয়ে ফেলে তাই আপনি চেষ্টা করবে যে অতি দ্রুত আপনার ক্লাইন্টের মেসেজ রিপ্লাই দেওয়ার অতি দ্রুত মেসেজের রিপ্লাই দিতে পারলে কাজ পাওয়া সম্ভব হবে।

সময় মত কাজ জমা দেওয়াঃ আপনি সব সময় চেষ্টা করবেন যে আপনার ক্লায়েন্টের কাজটি অতি দ্রুত সম্পন্ন করার বা সময় মত কাজটি জমা দেওয়ার এতে করে আপনার ক্লায়েন্ট যদি আপনার ক্লায়েন্টে দেওয়ার সময় আগে কাজ শেষ করে তাকে জমা দিতে পারেন তাহলে সে আপনাকে খুশি হয়ে বাড়তি কিছু ডলার দিতে পারে। 

আরো পড়ুনঃ এক দিরহাম সমান বাংলাদেশের কত টাকা দেখে নিন ২০২৩

তাছাড়া সে যদি আপনার কাজটি পছন্দ করে এবং তাকে দ্রুত কাজটি জমা দেওয়ার জন্য সে আপনাকে পুনরায় কাজ দিতে আগ্রহী হয়ে উঠবে এবং আপনি যদি বায়ারকে রীতিমতো সময় অনুযায়ী কাজ জমা দিতে না পারেন তাহলে ফাইবারের নিয়ম অনুযায়ী আপনার ফাইবার প্রোফাইল ডাউন হতে থাকবে। এবং ক্লায়েন্ট আপনাকে বাজে রিভিউ প্রদান করবে তাই আপনি চেষ্টা করবেন যে বাইয়ারে দেওয়া সময় হতে তার আগে কাজটি জমা দেওয়ার।

শেষ কথাঃ

প্রিয় ফাইবার অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারী বন্ধুরা আপনার অনেকেই ফাইবারের অ্যাকাউন্ট করার নিয়ম ফাইবারে কাজ করার নিয়ম এবং ফাইবারে কোন কাজের বেশি চাহিদা রয়েছে এই সমস্ত বিষয়গুলি নিয়ে জানতে চেয়েছেন আশা করি এই পোস্টের মধ্যে আপনাদের সঠিক উত্তর দিতে পেরেছি এবং এমন আরো নিত্যনতুন পোস্ট পেতে আমার ওয়েবসাইটের পাশে থাকুন এতক্ষণ আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে আমার এই পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বন্ধুমহল আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url