চা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানুন

 

দৈনিক চাহিদা পূরনে চা আমাদের নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় সঙ্গী । চায়ের মধ্যে রয়েছে অনেক গুণাগুণ। আমরা প্রতিদিনের সকালের তালিকায় নাশতার পূর্বে এক কাপ চা যোগ করে থাকি। আবার এই চা আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আবার এই চা আমাদের শারীরিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। আবার শারীরিক ওজন কমাতে অবদান রাখে। তাহলে চলুন চায়ের উপকারিতা অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসি।

চা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

পোষ্ট সূচীপত্রঃ 

চা খাওয়ার উপকারিতা

চা খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়েঃ চা আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। চায়ে থাকা ভিটামিন- আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। এবং আপনার দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

 দৈনিক চা খেলে ভালো থাকে হার্টঃ হার্ট ভালো রাখতে আপনাকে আপনার দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় লক্ষ রাখতে হবে। যে আপনি কী খাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে দিনে দুইবার লিকার চা খাওয়া উচিত। কারন লিকার চায়ে রয়েছে কিছু এনজাইম উপাদান বা ভিটামিন উপাদান যা আপনারর হার্ট এ রক্ত সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়।

চা ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করেঃ ক্যান্সার একটি মরণঘাতী ব্যধী। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে চা এর ভূমিকা অনেক। যেমন গ্রিন টি খেলে শরীরে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি হতে দেয় না। তাই প্রতিদিন 1 থেকে 2 কাপ গ্রিন টি খাওয়া উচিত ।

চা নার্ভ শান্ত রাখতে সাহায্য করেঃ চা আমাদের নার্ভকে শান্ত  রাখতে সাহায্য করে। চেয়ে এ থাকে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে অক্সিজেন সরবরাহ বৃদ্ধি করে। তাই প্রতিদিন এক কাপ চা খাওয়া আমাদের প্রত্যেকের জন্য জরুরী।

শরীরের ব্যথা কমায়ঃ আপনি শরীরে কোথাও যদি ব্যথা পান তাহলে এক কাপ মধু চা খেতে পারেন। এতে দ্রুত আপনার ব্যথা কমে আসবে। আপনার ব্যথা স্থান এর ফোলা ভাব দূর হবে।

চা খাওয়ার অপকারিতা

মনে রাখবেন দুই থেকে তিন কাপের বেশি চা খাওয়া উচিত নয়। যদি তার বেশি হয় তাহলে এটি আপনার শরীরের যে ক্ষতি গুলো করবে তা নিচে দেয়া হল।

উদ্বেগ বা বিষন্নতা তৈরি করতে পারেঃ চায়ের মধ্যে ক্যাফিন রয়েছে অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ এর ফলে  মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং আমাদের মস্তিষ্কে উদ্বেগ ও বিষন্নতা তৈরি করতে পা্রে।

অনিদ্রা ও হার্ট অ্যাটাকের কারণ হতে পারেঃ চা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্যর করলেও । অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণ এর ফলে অনিদ্রা ও বিভিন্ন রকমের রোগ সৃষ্টি হতে পারে। 

বমি বমি ভাব হবেঃ চা এবং গ্রীন টিতে অধিক পরিমাণে ক্যাফিন থাকে। যা বেশি গ্রহণের ফলে বমি বমি ভাব হতে পারে।

বুক জ্বালাপোড়া করতে পারেঃ চায়ের মধ্যে ক্যাফিন রয়েছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে চায়ের মধ্যে ক্যাফিন থাকায় তা পেটের মধ্যে গেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং বুক জ্বালাপোড়া হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় জটিলতা সৃষ্টি হতে পারেঃ গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত পরিমাণে চা খেলে। মাত্রাতিরিক্ত ক্যাফিন এর প্রভাবে গর্ভপাতের ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। এবং বাচ্চা জন্মের সময় ওজন কমতে পারে।

ভালো চা চেনার উপায়

যা আমাদের দেশে প্রায় সব মানুষই খাই। চা আমাদের দেশে শুধুমাত্র পানীয় নয় বরং এটি একটি আবেগ। কোন ব্যক্তির সাদ পছন্দ অপছন্দের বিষয়টি বিভিন্ন প্রকার চায়ের ওপর নির্ভরশীল। ভালো চা পাতা চেনার ততটাই গুরুত্বপূর্ণ যতটা বানানোর উপর নিশ্চিত। নিচে ভালো চা চেনার উপায়গুলো জেনে নিন ।

আরো পড়ুনঃ ফিচার ইমেজ তৈরীর নিয়মাবলী

স্পর্শ করাঃ ভালো মানের চা পাতা গুলোর উপর মসৃণতা থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে চা পাতাগুলো শুকিয়ে হালকা হয়ে যায় এবং হাতের তালুতে রেখে এটির মান পরীক্ষা করা যায়।

চা পাতার ঘ্রাণ নেওয়াঃ ভালো চা পাতার নিজস্ব একটা সুগন্ধ রয়েছে, যা কেবল ভেজাল চা থেকে পৃথক করা যায়। যদি চা পাতার মধ্যে কোনরকম অন্য সুগন্ধি অনুভূত হয় তাহলে বুঝতে হবে এটি ভালো চা নয়। কারন চায়ের একটি সুন্দর সুগন্ধি রয়েছে যা ভালো মানের চা যাচাই করতে সহায়তা করে।

চা পাতার চেহারাঃ একটি গাছের নাম এর মধ্যে রয়েছে সেই গাছের পরিচয়। ভালো মানের চা চিনবেন যেভাবে তা হল চা পাতা দেখে চেনা যায়। গবেষকদের ধারণা অনুযায়ী চা পাতার গায়ে কোন প্রকারের দাগ এবং তা চূর্ণ-বিচূর্ণ হওয়া উচিত নয় এছাড়াও আপনাকে আরো ভালোভাবে দেখতে হবে গিয়ে চা পাতার মধ্যে কোন রকমের গাছের টুকরো রয়েছে কিনা।

চা এর স্বাদ পরীক্ষাঃ ভালো চা চেনার জন্য অন্য কিছুর প্রয়োজন হয় প্রয়োজন হয় শুধু এক কাপ চা এর। আমরা এক কাপ চায়ে চুমুক দিলেই বুঝতে পারি যে চা টি খেতে কেমন লাগছে এবং তার গুণাগুণ পরিচিতি ও চা এর স্বাদ থেকে পাওয়া যায়। এক কাপ চা এ যখন চুমুক দিবেন তখনই আপনি বুঝতে পারবেন যে চাটি ভালো না খারাপ।

ভেজাল চা চেনার উপায়

চা পাতায় ভেজাল আছে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য প্রথমে আপনি একটি টিস্যু পেপার নিন। এবং সেই টিস্যু পেপারের উপরে 2 চা চামচ চা পাতা নিন এবং সেই চা পাতার উপরে কয়েক ফোটা পানি দিন এবং তা রোদে রাখুন।

তারপর টিস্যু থেকে চা পাতা গুলো তুলে ফেলুন এবার টিসু পেপার টির দিকে ভালোভাবে লক্ষ করুন যে সেটাতে কোন দাগ আছে কি। যদি কোন প্রকারের দাগ থেকে থাকে তাহলে বুঝতে হবে যে এটি ভেজাল চা।

আরো পড়ুনঃ ঘি খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন

আরো একটি উপায় হল এক গ্লাস ঠান্ডা পানি দিয়ে কিছু পরিমাণের চা পাতা মিশিয়ে দিন। এবার তার কিছুক্ষণ পরে আপনি লক্ষ্য করুন যে গ্লাসটিতে চা পাতার রং বেরিয়েছে কিনা যদি রঙ বের হয় তাহলে বুঝবেন যে সেটিতে ভেজাল রয়েছে কারণ ভেজাল চা পাতা ছাড়া এত দ্রুত চা পাতার রং বেরোনো সম্ভব না।

চা পাতা আসল না নকল পরীক্ষা করান আরো একটি মাধ্যম হলো চা পাতা গুলোকে আপনার হাতে ঘুষুন এবং কিছুক্ষণ পরে লক্ষ করুন যে আপনার হাতে রং বের হয়েছে কি। যদি বের হয় তাহলে বুঝবেন যে চা পাতাটিতে ভেজাল রয়েছে। 

চা গাছের বৈজ্ঞানিক নাম

চা গাছের বৈজ্ঞানিক নাম হল= ক্যামেলিয়া সিনেনসিস।

লেবু চা এর উপকারিতা

লেবু চা এর উপকারিতা সম্পর্কে আমরা অনেকেই অবগত নই। আসলে লেবু চা খেলে আমাদের কি উপকার হয় বা লেবু চা এর উপকারিতা কি চলুন জেনে আসি লেবু চা এর উপকারিতা কি।

  • লেবু চা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে ।
  • লেবু চা শরীরের রক্তে থাকা টক্সিক উপাদান বের করতে সাহায্য করে ।
  • লেবু চা হার্ট অ্যাটাক সহ নানা রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করে ।
  • লেবুতে থাকা সাইট্রিক এসিড হজম শক্তি বৃদ্ধি করে তাই আমাদের প্রত্যেকদিন লেবু চা খাওয়া উচিত।
  • নিয়মিত লেবু চা খেলে ডায়াবেটিস এ আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করে।

লেবু চা এর অপকারিতা

  • লেবু চা বেশি খেলে আপনার শরীরের রক্ত থাকা টক্সিক উপাদান বেড়ে যেতে পারে
  • লেবু চা বেশি খেলে আবহাওয়া গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে
  • লেবু চা বেশি খেলে আপনার বদহজম হতে পারে
  • লেবু চা বেশি খেলে আপনার বুক জ্বালাপোড়া করতে পারে

দুধ চা এর উপকারিতা

  • দুধ চা আপনার শরীর যদি চিকন থাকে তাহলে আপনাকে মোটা হতে সাহায্য করে।
  • দুধ চা শরীরে শক্তি যোগান দেয় এবং শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
  • দুধ চা এ থাকা ক্যাফিন রেচনতন্ত্র এর দ্রুতগতিতা তৈরি করতে সাহায্য করে। এবং আপনার শরীর ও আপনার মনকে শান্ত রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

দুধ চা এর অপকারিতা

  • দুধ চা খেলে শরীরের মধ্যে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • দুধ চা শরীরের ওজন বৃদ্ধি বিশেষ ভূমিকা পালন করে ।
  • প্রতিদিন দুধ চা খেলে শরীরের মধ্যে ঘুমের ঘাটতি দেখা দেয়।
  • দুধ চা খেলে রক্তচাপ চলাচল করতে ব্যাহত হয়। যারা ব্লাড সুগারের রোগী তাদের মোটেও দুধ চা খাওয়া উচিত নয়।
  • চিনিযুক্ত দুধ চা বিশেষত ডায়াবেটিসের মূল কারণ।
  • দুধ চা বেশি খেলে পুষ্টি গুণাগুণ নষ্ট হয় এবং ত্বকের ক্ষতি হয়।

লাল চা এর উপকারিতা

  • লাল চা খেলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয়।
  • লাল চা খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কম থাকে
  • লাল চা ক্যান্সারের রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করে।
  • লাল চা এ থাকা ক্যাফেইন হৃদপিণ্ড সহ দেহের অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কি সতেজ রাখে সহায়তা করে।

লাল চা এর অপকারিতা

  • লাল চা বেশি পরিমাণে খেলে আপনার শরীরে ঘুমের ঘাটতি দেখা দেবে।
  • লাল চা এ বেশি পরিমাণে চিনি খেলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
  • লাল চা এ চিনি বেশি পরিমাণে খেলে বুক জ্বালাপোড়াসহ আপনার বিভিন্ন রকমের সমস্যা হতে পারে।
  • বেশি পরিমাণে লাল চা খেলে আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

লিকার চা এর উপকারিতা

  • লিকার চা খেলে আপনার ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
  • লিকার চা আপনার শরীরের দূষিত পদার্থগুলোকে নিষ্কাশন করতে সাহায্য করে।
  • লিকার চা ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করতে বেশি কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
  • প্রতিদিন লিকার চা খেলে হূদরোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করে।
  • লিকার চা এ থাকা  ক্যাফিন চুল ও ত্বকের জন্য বেশি উপযোগী।

লিকার চা এর অপকারিতা

লিকার চা যেমন শরীরের জন্য উপকারী তেমন শরীরের জন্য অপকারিতাও অনেক। আবার অধিকহারে লিকার চা সেবন করলে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটতে পারে। যেমনঃ

  • লিকার চা বেশি পরিমাণে খেলে শরীরে ভিটামিন বি রোধ করে নানা ধরনের রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
  • অতিরিক্ত লিকার চা সেবনের ফলে হজম প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
  • আবার লিকার চা বেশি পরিমাণে খেলে ক্ষুধা কমতে পারে।
  • অতিরিক্ত চা খেলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়
  • গর্ভাবস্থায় মেয়েদের বেশি পরিমাণে চা-কফি না খাওয়া ভালো
  • খালি পেটে বেশি পরিমাণে চা সেবন করলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।

গ্রিন টি এর উপকারিতা

  • গ্রিন টির সবচাইতে বড় গুন হল,গ্রিন টি বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
  • বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন 2 কাপ গ্রিন টি খাই তাদের তুলনায় তারা প্রতিদিন থেকে 5 কাপ  গ্রিন টি খাই তাদের শরীর বেশি ফিট থাকে।
  • প্রতিদিন গ্রিন টি সেবনের ফলে ডায়াবেটিসের মত রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
  • শরীরের বিভিন্ন অংশের মেদ কমাতে গ্রিন টি এর ভূমিকা ব্যাপক।

গ্রিন টি এর অপকারিতা

  • বেশি পরিমাণে গ্রিন টি সেবনের ফলে আপনার দেহে রক্তস্বল্পতা ঘটতে পারে।
  • গ্রিন টি তে থাকা ক্যাফিন আপনার দেহে দুশ্চিন্তা আরও বাড়াতে পারে।
  • গ্রিন টি বেশি সেবন করলে আপনার ডায়রিয়া হতে পারে।
  • আপনার দেহে যদি রক্তক্ষরণের অসুখ থাকে তাহলে আপনার জন্য গ্রিন টি  পান না করা ভালো ভালো।

চা খেয়ে ওজন কমান

আসলে এই বিষয়ে শুনতে আপনারা সবাই অবাক হচ্ছেন তাই না। যে চা দিয়ে কি আদৌ ওজন  বা কমানো যায়। হ্যাঁ সত্যিই এবিষয়টি একটি অবাক করা বিষয়। আমরা এতদিন শুনে এসেছি যে 

ঔষধ দিয়ে শরীরের ওজন কমানো যায়। কিন্তু চা দিয়ে কিভাবে সম্ভব ওজন কমানো যায়। হ্যাঁ এটা সত্যি সম্ভব চা খেয়ে ওজন কমানো যায়। গ্রিন টি খেলে আপনার শারীরিক ওজন গুলো কমে যাবে। 

এর কারণ হলো গ্রিন টি তে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনার শরীরে একদিনে ৭০% ক্যালোরি পর্যন্ত ফ্যাট বার্ন করে। গ্রীন টি তে থাকা ক্যাফিন আপনার শরীরকে ফিট রাখতে সমস্ত চর্বি গুলোকে ঝরিয়ে  দেয়। প্রায় প্রত্যেকটি মানুষের প্রতিদিন সময় মত গ্রিন টি খাওয়া উচিত।

চা এর ক্ষতিকর দিক

যদিও পরিমাণ মতো চা খাওয়া প্রত্যেকটি মানুষের জন্য উচিত। তবে মাত্রার চেয়ে কেউ যদি অধিকহারে চা পান করে থাকে তাহলে এটি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কারণও হতে পারে। যেমনঃ

  • বেশি চা সেবনের ফলে মানসিক চাপ ও অস্থিরতা বাড়িয়ে দেয়।
  • ঘুম কম হয়
  • বমি বমি ভাব হতে পারে
  • হজম ক্ষমতা কমতে পারে
  • মাথাব্যথা মাথা ঘোরানো সমস্যা হতে পারে
  • গর্ভাবস্থায় সমস্যা দেখা দিতে পারে

চা নিয়ে সর্বশেষ কথা

সুপ্রিয় পাঠক বৃন্দ আজকের এই চা বিষয়ে যে পোস্টটি লিখা হয়েছে তা আপনাদের জন্য। আপনারা এই পোস্টটি পড়ে যা জানলেন ও বুঝলেন তা হল বাজারে ভালো চা কিভাবে চিনবেন, চা খাওয়ার ক্ষতিকর দিক গুলো , চা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা, ।

আজকের এই পোষ্ট টি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনারা আপনাদের বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে পারেন এবং চা বিষয়ে কোন কিছু জানার থাকে নিচে কমেন্ট বক্সে গিয়ে আমাকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বন্ধুমহল আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url